মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
উপাচার্য নিয়োগে কালক্ষেপণ প্রতিবাদে ইবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাদির মরদেহ দেশে, আজ জানাজা শেষে দাফন : রাষ্ট্রীয় শোক আজ। রেলস্টেশনে কেটে গেল মা-মেয়ের ৫৪ বছর কুষ্টিয়ায় শ্যামলী পরিবহনের বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত কুষ্টিয়ায় বিএনপির অভিযোগ বক্সে বিএনপি নেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকের নামে অভিযোগ তরুণকে পেটালেন ইউএনও, ভিডিও ভাইরাল সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মামলা করলেন,বিএনপি নেতা। জয় বাংলা স্লোগানে শিবচরে বিএনপির ওপর হামলা, আহত ২০ মামলা পরিচালনায় সম্পৃক্তদের ভয়াবহ পরিণতির হুমকি শেখ হাসিনার আগামী নির্বাচন খুব সহজ হবে না: তারেক রহমান হত্যার আগে আল জাজিরা সাংবাদিকের শেষ বার্তা

চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরতে পারেননি হানিফের পরিবার : আইনের সহযোগিতা চাই পরিবারটি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩২০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২, ৭:৫১ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার হরিনগাছি গ্রামে গত ৬ তারিখ সন্ধ্যায় মাঠে আবাদি জমিতে চাষ দেয়া কে কেন্দ্র করে মারামারি হয় কুবিরের লোকজন ও ইছাহক আলীর লোকজনের মধ্যে। পরের দিন সকালে ইছাহক আলীর সমর্থিত লোকজন কিছু বুঝে উঠার আগে কুবির সমর্থিত পুরাতন আমদহ গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে হানিফ মালিথার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হানিফের পরিবারের লোকজন বাঁধা প্রদান করিলে উভয় পক্ষের লোকজনের মাঝে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হলেও হানিফ ও তার ছেলে স্বপনের বাড়িতে ব্যপক ভাংচুর ও লুটপাট হয় বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে হানিফের স্ত্রী জানান, আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই ইছাহকের লোকজন হামলা চালায়। আমার স্বামী সহ আমাদের পরিবারের সকল পুরুষ মানুষ তাদের হামলায় আহত হয়। সে সময় ইছাহকের লোকজন বাড়িঘরে ব্যপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। আমার স্বামী সহ আমাদের সকলে গুরুত্বর আহত হওয়াতে রাজশাহী মেডিকেল সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। কিন্তু আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাতে থানায় এ বিষয়ে কোন অভিযোগ করতে পারি নাই। তাই আমরা সু বিচারের লক্ষে আইনের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে হানিফের ছেলে স্বপন জানান, আমি ঐ দিন সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ আমার স্ত্রী আমাকে ডেকে বলে কারা যেন তোমার বাবাকে মারছে আমি উঠে দেখে আমার বৃদ্ধ চাচা, বাবা সকলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। আর ইছাহক ও দমছেরের ছেলে সন্তান ও ভাগনিরা আমার বাড়ির সকল মালামাল ভাংচুর করছে। আমার পিতা ও চাচাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রায় ১ সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে তারা বাড়িতে ফিরতে পারছেনা তারা হুমকি ধামকি দিচ্ছে । আমরা চিকিৎসাধীন থাকাতে এ বিষয়ে কোন আইনি সেবা নিতে পারিনাই। তাই ঘটনাটি তদন্ত করে আমি সঠিক বিচার দাবি করছি।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
Translate »