মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত ও বর্ধিত পানির বিল প্রত্যাহারের দাবীতে গণঅবস্থান কর্মসূচী গাবুরা ইউনিয়ন জলবায়ু সহনশীল ফোরামের অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে আমন মৌসুমে ১১৪৮০ কেজি ধানবীজ ও ৯১৮৪ কেজি সার বিতরণ করেছে লিডার্স ব্যাঙ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাইক্লিং রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা ঝিনাইদহে বর্নাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত কুষ্টিয়ায় ভেজাল কসমেটিকস কারখানায় র‍্যাবের অভিযান,দের লক্ষ টাকা জরিমানা হেশেল ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে দুই শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়ায় বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি আল্লারদর্গা প্রেসক্লাবের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় কোভিড রোগীর সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৫৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় কোভিড রোগীর সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে একজনসহ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১০ জন।

বুধবার ভোর থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয়।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গায় আরও ১১০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ১০৭ জন। এর মধ্যে বাড়িতে এক হাজার ৯৮০ জন ও হাসপাতালে ১২৭ জন।

চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ বৃহস্পতিবার ৪৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে। এদিন ৪৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১১০ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

শনাক্তকৃতদের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৬০ জন, আলমডাঙ্গার ২৫, দামুড়হুদার ১৬ ও জীবননগর উপজেলার ৯ জন।

চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা ১৪৮ জনে দাঁড়াল। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গাতেই মারা গেছেন ১৩২ জন।

চুয়াডাঙ্গার বাইরে মারা গেছেন ১৬ জন। বৃহস্পতিবার নতুন ৪৩৮ জনের নমুনা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে মোট নমুনা নেওয়া হলো ১৮ হাজার ৯৮১ জনের।

বৃহস্পতিবার ৪৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট রিপোর্ট পাওয়া গেছে ১৮ হাজার ৬৫৩ জনের। নতুন ১১০ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৬৫ জন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রতিদিন দেড় হাজার থেকে দুই হাজার লিটার অক্সিজেন লাগছে। তবে অক্সিজেনের কোনো ঘাটতি নেই।’


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
error: Content is protected !!
Translate »
error: Content is protected !!