রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বেনজিনের নাভানা পার্ক বন্ধ ঘোষণা নিজ বাসা থেকে বাবা- মেয়ের মরা দেহ উদ্ধার সন্ধ্যার মধ্যে তীব্র ঝড় যেসব অঞ্চলে কুষ্টিয়ায় রেলের কৃষিজমি ৮০ হাজার টাকা কাঠায় বিক্রি, বাড়ি নির্মাণ হিট স্ট্রোকে অটোচালকের মৃত্যু পরকীয়া করতে গিয়ে যুবক খুন, আটক ৩ ভোট গ্রহনে অনিয়ন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকুরী থাকবে না… নির্বাচন কমিশনার সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত ও বর্ধিত পানির বিল প্রত্যাহারের দাবীতে গণঅবস্থান কর্মসূচী গাবুরা ইউনিয়ন জলবায়ু সহনশীল ফোরামের অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে আমন মৌসুমে ১১৪৮০ কেজি ধানবীজ ও ৯১৮৪ কেজি সার বিতরণ করেছে লিডার্স

হাওড়ে ভাসছে কৃষকের স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২, ৯:৪৩ অপরাহ্ন

সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে হাওড়ের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। ফলে দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে এই দুই উপজেলার কৃষকের। পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে কৃষকরা এমন ভোগান্তিতে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় হাওড়ে ৪০ হেক্টর ফসলি জমি নিমিষেই তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করে। এর মধ্যে শাল্লা উপজেলার বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) আওতার বাইরে।

গত তিন দিন ধরে স্থানীয় কৃষকরা দিন-রাত মাটি কেটেও বাঁধটিকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। স্থানীয়রা পাউবোকে দায়ী করে জানান, শাল্লা ব্রিজের পাশে হাওর রক্ষা বাঁধের একটি প্রকল্প দিলে অকাল বন্যায় চোখের সামনে তলিয়ে যেত না এই ফসলি জমি। অন্যান্য বছর এই জায়গায় প্রকল্প দেওয়া হলেও এ বছর কোনো প্রকল্প না দেওয়ায় অকাল বন্যায় তলিয়ে ভেসে গেল ফসলি জমি। কাঁচা ধান তলিয়ে গিয়ে কৃষকদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। নিঃস্ব হয়ে কয়েকটি গ্রামের কৃষকের কান্নায় ভাসছে স্বপ্ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও ও ডুমরা গ্রামের লোকজন এই হাওরেই জমি করেছে। এই দুই গ্রামের শতভাগ মানুষের ভাগ্য পানিতে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি প্রায় ৬০-৭০ হেক্টর জমি অকাল বন্যায় ভেসে গেছে। তবে প্রশাসনের দাবি ৪০ হেক্টর জমি।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৈয়ারবন ও পুটিয়া হাওরে ৪০ হেক্টর জমি বোরো চাষ হয়েছে। তবে এই হাওরের কোনো ফসল জমি এখনো কাটা হয়নি।

ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের কৃষক রাজন রায় বলেন, ৮ কেয়ার জমি করেছি। সবকিছু তলিয়ে গেছে। বাঁচার কোনো পথ নেই। ছেলে মেয়ে নিয়ে কীভাবে চলব, সেই দিকটি চিন্তা করছি। পানি আসার আগে কয়েকবার প্রশাসনের কাছে গেয়েছি একটা ব্যবস্থা করার জন্য। পরে নিজেরাই মাথায় করে মাটি ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করেছি শেষ মুহূর্তেও আমরা চেষ্টা করে গেলাম। রক্ষা করতে পারলাম না আমাদের ফসলি জমি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তালেব জানান, কৈয়ারবন ও পুটিয়া হাওড়ে প্রায় ৪০ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে এই বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতার বাইরে। এরপরও আমরা চেষ্টা করেছি ফসলি জমি রক্ষা করার। কিন্তু উজানের পাহাড়ি ঢল ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আর রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

সূত্রঃ যুগান্তর


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
error: Content is protected !!
Translate »
error: Content is protected !!