বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪০ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

কুমারখালীতে পাড়া মহল্লায় উপেক্ষিত স্বাস্থ্য বিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৫ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১, ১০:২৬ অপরাহ্ন

চলমান পরিস্থিতি সামাল দিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দেশজুড়ে চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। কুমারখালী মহাসড়কগুলো ফাঁকা থাকলেও উপজেলার পাড়া মহল্লায় ও অলিগলিতে চলছে অবাধে চলাফেরা এবং উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্য বিধি। আবার অনেক চায়ের ষ্টলে ক্যারাম খেলার আড্ডায় মেতে উঠেছে । এদের মূখে নেই মাস্ক, মানছে না স্বাস্থ্য-বিধি। এভাবে চলতে থাকলে দিন যতই ঘনিয়ে আসবে ততই বিপুল সংক্রমণের ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে এমনটাই দাবি করেন সচেতন মহল।

বুধবার কঠোর লকডাউনের সপ্তম দিন সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসব দৃশ্য ছিল লক্ষ্যনীয়। কঠোর লকডাউনের সপ্তম দিনে রাস্তা ছিল অনেকটাই মানুষের দখলে । তবে সকালের দিকে শহরে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, রিকশা ও ভ্যান গাড়ি ছিল চোখে পড়ার মত। উপজেলা গ্ৰাম গুলোতে বিকেল হলেই লোক সমাগম বেড়ে যায়। করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি থাকলেও কঠোর লকডাউন না মেনেই মানুষজন এদিকসেদিক ঘুরাঘুরি করছে বিনা কারণে। তবে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। কোন কোন স্থান থেকে তারা আবার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা,ভ্যান ঘুরিয়ে দিচ্ছেন।

এদিকে, উপজেলা বিভিন্ন গ্ৰামের বাজারে কঠোর লকডাউন অমান্য করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লোকজন কেনাকাটা করছেন। বাজার কমিটিকেও এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , নন্দলালপুর ইউনিয়নের চড়াই কোল রেল স্টেশন, নন্দলালপুর স্কুল মোড়, সদকী ইউনিয়নে মালিয়ার ফকির তলা, গফুর তলা, শিলাইদহ ইউনিয়নের, আর পাড়া বটতলা, যদুবয়রা জয় বাংলা বাজার, লালন বাজার, পান্টি ইউনিয়নের কৃষ্ণ পুর বাজার, পৌর এলাকার ঝাওতলা, বাটিকারা তরুণ মোড়, সকাল-বিকেল এলাকার মধ্যে মানুষের সমাগম ঘটেছে।

কুমারখালী বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে কঠোর লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লোকজন অবাধে চলাফেরা ও বাজার করছেন। অধিকাশংরই মানুষের মুখে মাস্ক পরা না থাকলেও এই ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি বাজার কমিটির।

এদিকে, কুমারখালীর পৌর এলাকার মধ্যে তেবাড়িয়া, শেরকান্দি, এলঙ্গী পাড়া, দুর্গা পুরে গ্ৰামের দোকানপাট,চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। উপজেলা এম এন পার্ক , শিলাইদহ পদ্মার পাড়, গড়াই নদীর পাড়ে শত-শত মানুষের সমাগম হচ্ছে। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই এসব স্থানে শত-শত মানুষের সমাগম হলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হলেও। স্বাস্থ্য বিধি মানাতে যা পর্যাপ্ত নয়।

তবে এসব স্থানে ঘুরতে আসা লোকজন বলছে, এসব এলাকায় প্রশাসনের লোকজন আসতে আসতে তারা চলেই যাবেন। আর এসব স্থানে মূলত প্রশাসনের লোকজন কম আসে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিতান কুমার মন্ডল জানান, ‘লকডাউন না মেনে যেসব স্থানে লোকজন চলাচল করছে এরই মধ্যে আমরা সেসকল স্থানে অভিযান চালাচ্ছি। এছাড়া প্রতিনিয়ত আমাদের করোনা প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর