বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

হাজার টাকার কবুতর চিকিৎসা ব্যয় ৫’শ টাকা!

মেজবা উদ্দিন পলাশ, কুষ্টিয়া / ২২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১, ৮:০৯ পূর্বাহ্ন

শখের কবুতর।আদরে পেলে পুষে বড় করছেন ফিরোজা খাতুন। কবুতরটি ট্রেনের ধাক্কায় পা ভেঙে যাওয়ায় পাগল প্রায় অবস্থা ফিরোজার। তড়িঘড়ি করে নিয়ে গেলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে। সরকারি চিকিৎসক করে দিলেন ব্যান্ডেজ। সেবা বাবদ ফি চাইলেন ৫’শ টাকা। কবুতরের পায়ের ব্যান্ডেজের এমন ব্যয় শুনে মালিকের আক্কেলগুড়ুম অবস্থা।

অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের মানুষ হওয়ায় টাকা না থাকায় চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অফিস সহায়ক রফিকুল ইসলাম। পরে অবশ্য ঘটনাটি জানাজানি হলে দ্রুত কবুতরটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি। এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

সেখানেও অনেকেই দিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্নমত। ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে।

ভেড়ামারা পৌরসভার দক্ষিণ রেল গেট এলাকার ভুক্তভোগী ফিরোজা খাতুন বলেন,কবুতরটি আমার ছেলে আশরাফের। সে শখেই কবুতর পুষে। আমাদের বাড়ি রেললাইনের ঢালে হওয়ায় ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে কবুতরটির এক পা ভেঙে যায়। পরে আমি ও আমার ছেলের বউ কবুতরটি নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ডাক্তার দেখাতে যায়। সেখানকার ডাক্তার কবুতরটির ভাঙা পা টি ব্যান্ডেজ করার দায়িত্ব দেন ওই অফিসের রফিকুল ইসলামকে। পরে রফিকুল সেবা বাবদ ফি চান ৫’শ টাকা। টাকা না দেওয়ায় চিকিৎসা না দিয়েই আড়াই ঘন্টা বসিয়ে রাখেন। টাকা ছাড়া কবুতরটির চিকিৎসা দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। অনেক কাকুতিমিনতি করেও চিকিৎসা দেননি তিনি। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে দ্রুত কবুতরটির চিকিৎসা ব্যবস্থা করেন রফিকুল। সরকারি প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কর্মচারীর এমন আচরণে হতবাক হয়েছি। তাই এমন কর্মচারীর কঠোর বিচারের দাবি করেন তিনি।

ভেড়ামারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অফিস সহায়ক অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বলেন,আমি তাদের সাথে ইয়ার্কি ঠাট্টা করে টাকা চেয়েছি। কিছু সময় তারা বসেছিলেন। তবে এটাকে অনেকেই সুযোগ পেয়ে তিলকে তাল বানাচ্ছেন।

ভেড়ামারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুর হক বলেন,বিয়ষটি আমার কানে এসেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন,আমি শুনেছি এটি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর