বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১, ১০:২৩ অপরাহ্ন

দুর্বার বাংলা২৪//স্ত্রীর অন্যন্ত্র বিয়ে হওয়ার জন্য অভিমান করে বিষ পানে আত্মহত্যা করেছেন মিনারুল ইসলাম (২৮) নামের এক যুবক ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নীলফামারীর সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা টি ঘটে ।
নিহত মিনারুল ইসলাম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়ন টেঙ্গনমারী সবুজ পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের ছেলে।

এবিষয়ে নিহত মিনারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমার সাথে পাশ্ববর্তী ইউনিয়নের এক মেয়ের সাথে দুই বছর আগে বিয়ে হয় কিন্তু সেই মেয়ে আমার ছেলের সাথে প্রায়ই ঝগড়া করতো আর হঠাৎ করে গত ৬ মাস আগে আমার বৌমা আমার ছেলেকে ছেড়ে তার বাপের বাড়িতে চলে যায় আর সেখানে অন্যন্ত্র বিয়ে করতে বসেছে এমন খবর পেয়ে আমার ছেলে আজকে ( কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে ) ।
নিহত মিনারুল ইসলামের স্ত্রীর নাম ও তার বাসার ঠিকানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এবিষয়ে কোন মন্তব্য না করে আরো কান্নায় ভেংগে পড়েন।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন ব্যক্তির সাথে কথা হলে আকাশ হোসেন নামে একজন জানান যে মিনারুল ইসলাম বিকেল আনুমানিক সাড়ে চার দিকে কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সামনের মাঠে কিটনাশক ( বিষ) পান করে মাটিতে শুয়ে পড়ে আর প্রথমে ধারনা করেছিলাম যে সে হয়তো মাঠে ঘুমানোর জন্য শুয়ে পড়েছে কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখি যে তার মুখ থেকে প্রচুর পরিমাণে ফেনা বাহির হচ্ছে এমন অবস্থা দেখে আমার কয়েকজন তাকে নীলফামারীর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মাইক্রোবাসে তুলার সময় সে মারা যায় ।
এদিকে কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুর রউফ এর সাথে কথা হলে তিনি বিষয় টি নিশ্চিত করে বলেন আমি খবর পাওয়া মাত্র সেখানে যাই এবং লাশ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পড়ে থাকতে দেখতে নীলফামারী সদর থানায় বিষয় টি অবহিত করি আর মিনারুল ইসলাম একজন ভালো ছেলে ছিল ।

এবিষয়ে নীলফামারীর সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ এর সাথে কথা হলে তিনি বিষয় টি নিশ্চিত করে বলেন যে আমরা সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় দিকে কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুর রউফ এর মাধ্যমে বিষয় টি জানার পর নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) জনাব মুক্তারুজামান, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) মাহমুদ উন নবী ও আমি ঘটনাস্হল পরিদর্শন করি আর লাশ উদ্ধার করে নীলফামারীর সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেয়ন করি এবং তাকে মর্গে পাটানোর আগ পযন্ত তার মুখ থেকে প্রচুর পরিমাণে ফেনা বাহির হচ্ছে । আর আমরা ধারণা করছি যে মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী চলে যাওয়ার কারনে সে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর