বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩০ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

বগুড়ার সারিয়াকান্দীতে যমুনা নদীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকারের হিরিক।

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১, ৬:৩৬ অপরাহ্ন

বগুড়া জেলার শারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে অভিনব কায়দায় চলছে মাছ শিকার করার হিরিক দেখার যেনো কেউ নেই।

সারিয়াকান্দির যমুনা নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়,অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার চলছে দিনের পরদিন রাতদিন ২৪ ঘন্টা এই অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করায় বিপাকে পরেছেন প্রকৃত জেলেরা এই অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করা বন্ধ করতে উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন প্রকৃত জেলেরা।

নাম অনিচ্ছুক, এক জেলে জানান,নদীতে যে ভাবে চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করা শুরু হয়েছে এতে করে নদীতে মাছ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,করন এই চায়না দুয়ারী জালে বেশির ভাগ ছোট জাটকা ও ডিম ওয়ালা মাছ ধরা পড়ে এতে করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্তির মুখে দারিয়েছে।অতিদূত এই চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করার অনুরোধ করেন তিনি।

বোহাইল ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী জেলেরা জানান,আমারা ছোট কাল থেকেই এই যমুনা নদীতে বড় ফাঁসের লাইলন জাল দিয়ে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসিতেছি আমাদের জালে শুধু বড় মাছ ধরাপরে। এবং বর্ষামৌসুমে আমাদের খালেবিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এসে থাকতো এলাকার গরিব অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ সেই মাছ গুলো শিকার করে খেতো, কিন্তু এই চায়না দুয়ারী জাল নেমে আগের মত মাছ আর শিকার করা যায় না,এলাকার কিছু মানুষ জেলে না হয়েও নতুন মডেল অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল কিনে নদীর আনাচে কানাচে ও খালে বিলে ফেলে রেখে দিনের পরদিন জাটকা সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করে চলছে এতে যেমন নষ্ট হচ্ছে দেশের মৎস্যসম্পদ তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকৃত জেলেরা,তাই দেশের মৎস্যসম্পদ ও প্রকৃত জেলেদের কথা চিন্তা করে যমুনা নদীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসনের নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

২০০২ সালে সরকারের জারি করা মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪ (১) ধারায় বলা হয়েছে,কোনো ব্যক্তি কারেন্ট জালের উৎপাদন,বুনন,আমদানি, বাজারজাতকরণ,সংরক্ষণ ও বহন সহ মালিক হতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। আইন ভঙ্গ করে যিনি কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরবেন,তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা এক থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
দেশে এত বড় মৎস্য সুরহ্মা ও সংরক্ষণ আইন থাকা সর্থেও কেনো এই অবৈধ চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার কারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হচ্ছে না দাবী সচেতন মহলের।

এই বিষয়ে সারিয়াকান্দি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলো তিনি জানান,আমরা ইতিমধ্যে টহল দেওয়া শুরু করেছি, চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে যারা মাছ শিকার করে আসিতেছে অতিদূত তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর