মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

পদ্মার চরে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার এক সপ্তাহ ধরে পানিবন্দি রয়েছে। অধিকাংশ বাড়ির টিউবওয়েল পানিতে তলিয়ে আছে। ফলে চরের মানুষ বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, লক্ষ্মীনগর একটি চর। এই চরে ২৬২ পরিবার বসবাস করে। এক সপ্তাহ ধরে তারা পানিবন্দি হয়ে আছে। এই চরে চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে দিয়াড়কাদিরপুর বাজার। এ বাজারের পাশে একটি টিউওবয়েল রয়েছে। পানিতে তলিয়ে থাকা ওই টিউবওয়েলের পানি সবাই পান করেন।

তবে চারদিকে পানি; বাড়িসহ সব জমির ফসল পানিতে ডুবে আছে। এমন অবস্থায় সেখানে গিয়ে পানি সংগ্রহ করা কষ্টকর। এ ছাড়া ডুবে থাকা টিউবওয়েলের পানিতে জিবাণু থাকতে পারে। এ পানি পানে দেখা দিতে পারে রোগবালাই। এমনটিই আশঙ্কার করছেন অনেকে।

এ ছাড়া আরও ১৫টি চরের মানুষের একই অবস্থা। এর মধ্যে লক্ষ্মীনগর চরে ভোটার এক হাজার ৭৬২ জন। অথচ সবাই বিশুদ্ধ পানি সংকটে ভুগছেন।

চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের (চৌমাদিয়াচর) মেম্বর আবদুর রহমান বলেন, আমার নির্বাচিত এলাকায় প্রতিটি বাড়িতে পানি ওঠায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েলের অর্ধেকের বেশি অংশ পানির নিচে তলিয়ে আছে। উপায় নেই, তলিয়ে থাকা টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

দিয়াড়কাদিরপুর চরের মেরিনা আক্তার বলেন, নিজের বাড়িতে টিউবওয়েল নেই। বাজারের পাশে একটি টিউবওয়ের থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে পান করি। ওই টিউবওয়েল অর্ধেকের বেশি অংশ ডুবে আছে। কোনো উপায় নেই, এ টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করছি।

একই কথা জানান আরিফা বেগম, আক্তার জাহান, আবেদা বেগম ও সালেহা বেগম নামে কয়েকজন নারী।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন, পদ্মার চরের প্রায় ৯০ শতাংশ পরিবারের বাড়িতে পানি উঠেছে। শত শত পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কিছু কিছু বাড়ি একেবারে ডুবে আছে। ফলে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, গত ২০ আগস্ট চৌমাদিয়া, দিয়াড়কাদিরপুর, আতারপাড়া চর এলাকায় পানিবন্দি ৫০০ পরিবারের মধ্যে সরকারিভাবে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, তেল ও কিছু শুকনো খাবার ত্রাণ হিসেবে সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে জলমগ্নে চরের মানুষের কিছুটা বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়।

খবর: যুগান্তর


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর