মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

দৌলতপুরে মাথাভাঙ্গা নদীতে নিখোঁজ নারীর লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১, ৬:৫৪ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের মাথাভাঙ্গা নদীতে নিখোঁজ নারীর লাশ প্রায় ৪০ ঘন্টা পর উদ্ধার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

গত শুক্রবার (২৭ আগষ্ট) আনুমানিক বেলা ০৩ঃ৩০ টার সময় মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে আনজুয়ারা খাতুন (৩৫) নিখোঁজ হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। বাড়ীর পাশে মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে গেলে খরস্রোত নদীতে তলীয়ে যায় আনজুয়ারা খাতুন। এলাকার লোকজন অনেক খোজাখুজির পরও সন্ধান করতে পারেনি নিখোঁজ আনজুয়ারা খাতুনকে।

পরদিন শনিবার (২৮ আগষ্ট) খুলনা থেকে ডুবুরি এসে দিনভর খোজাখুজি করেও সন্ধান করতে পারেনি।

রবিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল সাতটার সময় স্থানীও লোকজন মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ের জঙ্গলে আটকে থাকতে দেখলে সাথেসাথে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ও স্থানীও লোকজন এসে আনজুয়ারা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

তিন সন্তানের জননী আনজুয়ারা খাতুন দৌলতপুর সীমান্তের ধর্মদহ গ্রামের আকালী কারীগরের মেয়ে। সে ভেড়ামারা উপজেলার কুচিয়ামোড়া গ্রামের মৃত্যু আনারুল ইসলামের স্ত্রী। স্বামী আনারুলের মৃত্যু হয় তিন বছর আগে, অভাবের তাড়নায় তিন সন্তান সহ আনজুয়ারা চলে আসে বাবার বাড়ীতে। তিন সন্তান সহ আনজুয়ারা খাতুন এর ভোরণ-পোষনের দায়ীত্বও নেন বাবা আকালী কারিগর।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দীন জানান, দৌলতপুর সীমান্তের ধর্মদহ গ্রামের আকালী কারীগরের মেয়ে আনজুয়ারা খাতুন শুক্রবার আনুমানিক বেলা ৩ ঘটিকার সময় মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়, দু‘দিন স্থানীও লোকজন ও গতকাল খুলনা থেকে ডুবুরি এসেও সন্ধান করতে পারেনি।

আজ সকাল সাতটার সময় স্থানীও লোকজন ফোন করে জানালে সাথেসাথে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করি। লাশের সুরতহাল প্রস্তত করে লাশ দাফনের জন্য তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর