বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

পাউবোর জায়গা দখল করে মহিপুরে বহুতল ভবন নির্মানের মহা উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯:৪০ অপরাহ্ন
পাউবোর জায়গা দখল করে মহিপুরে বহুতল ভবন নির্মানের মহা উৎসব

পটুয়াখালীর মহিপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)›র জায়গা দখল করে একের পর এক স্থাপনা তুললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নীরব। কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি বেদখল হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে পাউবোর কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসন। যারা স্থাপনা নির্মাণের সময় অবৈধ দখল বলে হুঙ্কার দিলেও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে নীরব থাকছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিপুর মৎস্য বন্দরের প্রবেশ পথে শেখ রাসেল সেতুর পার্শ্ববর্তী এলাকায় পাউবোর জায়গা যে যার মতো অবৈধভাবে দখল করে নিচ্ছে। মো. জাকির হোসেনের মুসলিম মিষ্টান্ন ভান্ডার পাউবোর প্রায় ১০ শতাংশ জায়গা অবৈধভাবে দখল করে স্থায়ী পাকা ভবন নির্মানের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাউবোর কোনো কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও তারা কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসন ম্যানেজ করে প্রকাশ্যেই দখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নীরব প্রতিবাদ দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, পাউবো ও সওজ’র কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকা স্বত্ত্বেও কিভাবে তারা এ ধরনের অবৈধ দখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। তারা দ্রুত দখলদারিত্বে সহায়ক ভূমিকা পালনকারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের শীর্ষ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, দখল কাজের শুরুতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়। অথচ তারা এখন দেখেও না দেখার ভান করছে।

একই ব্যাত্তিরা মহিপুর শেখ রাসেল সেতুর স্লোপ আটকে সড়ক -জনপদের জায়গায় রাতের আধারে নির্মান করছে বিরাট আকৃতির কাঠ দিয়ে তৈরি দোকান ঘড়।

জানাগেছে ভবনের কাজ শুরুর সময়ে গনমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পরে পাউবো কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য তাদের চিঠি দেন এবং মহিপুর থানায় ও চিঠি প্রদান করেন তবে হঠাৎই অজানা কারনে চুপসে যায় পাউবো কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে বিরাজ করছে নানা ধরনের প্রশ্ন!

এ বিষয়ে মুসলিম মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মো. জাকির হোসেন বলেন, পাউবোর যতটুকু কাগজপত্র দরকার তা আমার কাছে রয়েছে।

মহিপুৃর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী জানান, আমার জানামতে জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। তবে, যারা পাকা ভবন করতেছে, কিভাবে করতেছে তা আমার জানা নেই।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)›র কলাপাড়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ হোসেন বলেন, আমি অল্প কিছুদিন আগে এখানে যোগদান করেছি। কারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে পাকা ভবন তুলছে, সে ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। আমি সদ্য বিষয়টি জানতে পেরেছি, দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর