রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
হরিনারায়ণপুর বনাম আব্দালপুর শিক্ষক একাদশের প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিজয়ী সবুজ দল মিরপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আলোচনা সভা কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির সম্মেলন-২০২১ অনুষ্ঠিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে কুৃষ্টিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর লাল সবুজের পতাকা নিয়ে সাইক্লিং শোভাযাত্রা ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: ডব্লিউএইচও দুই বছর পর প্রথম করোনার হানা দৌলতপুর বিএনপিতে ঘরের শত্রু বিভীষণ! ১১ মাসে ঝিনাইদহ বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশের জরিমানা আদায় আড়াই কোটি টাকা ঝিনাইদহে রেড ক্রিসেন্টের বার্ষিক সাধারণ সভা সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

‘সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় খালের সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেব’

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১, ৬:৪৪ অপরাহ্ন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদেরকে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘দশটায় দশ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, খালটির দুই পাড়ের বেশ কয়েকটি ভবন পরিদর্শনকালে সেগুলোর কোনোটিতেই সেপটিক ট্যাংক কিংবা সোক ওয়েল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সেপটিক ট্যাংকবিহীন ভবনগুলোতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় জলাশয়ের পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

আতিক বলেন, খাল কোনো ডাস্টবিন নয়, ময়লা-আবর্জনা, বর্জ্য নিক্ষেপের স্থান‌ও নয়, এটি জলাধার। তাই কোনো সচেতন নাগরিক খাল কিংবা অন্য কোনো জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ করতে পারে না।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকেও বিল্ডিং ডেভেলাপ করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য‌ কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আতিক বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ডিএনসিসি এলাকায় খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করা হবে।অবৈধভাবে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

ডিএনসিসি মেয়রের উপস্থিতিতেই মোহাম্মদপুর এলাকায় মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেডের ৩ নম্বর রোডে রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত নকশাবহির্ভূত ভবনের অংশবিশেষ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে রাস্তা থেকে উচ্ছেদ করা হয়।

মেয়র বলেন, সবাই মিলে সবার ঢাকাকে দখল ও দূষণমুক্ত করে সবার বাসযোগ্য সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকায় পরিণত করতে হবে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এসএম শরীফ উল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর


এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর